গণপূর্ত বিভাগের অবহেলা আদালত জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগ

মো. শফিকুল ইসলাম আরজু, নাঃগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ নারায়ণগঞ্জ জেলার নতুন আদালত পাড়ায় একটু বৃষ্টি হলেই প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ সাধারন মানুষকে হাটু পানিতে নেমে অফিস কার্যালয়ে যেতে হয়। দীর্ঘদিনের এ চিত্রের পরিবর্তন হয় নি। অথচ প্রতিবছর সরকারি কোটি কোটি টাকার বরাদ্দ বিভিন্ন খাত দেখিয়ে লুটে পুটে খেলেও পানি নিষ্কাশনের বিষয়ে কোন দৃষ্টিপাত নেই। হরিলুট হচ্ছে। সাধারনের প্রশ্ন সরকারি বরাদ্দের অর্থ কোথায় যাচ্ছে?
জেলার বেশিরভাগ সরকারি দপ্তরগুলো ভবন নির্মাণ ও পরিকল্পনায় নারায়ণগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগের চৌকষ ও দক্ষ প্রকৌশলীগন দিক নির্দেশনা দিয়ে থাকেন। অথচ আদালত পাড়ায় প্রতিটি ভবনের পাশে নেই কোন সুনির্দিষ্ট ড্রেনেজ ব্যবস্থা। কোন ধরনের ড্রেনেজ ব্যবস্থা ছাড়াই রাস্তার কাজ অবলীলায় করে গেছে। ড্রেনেজের ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।
আইনজীবি মিলন জানায়, গণপূর্ত বিভাগে ও আদালতে প্রতিনিয়ত কাজ করতে গিয়ে এ চিত্র উপভোগ করতে করতে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এটা কেমন কথা! একটু বৃষ্টি হলেই আদালতে ডিএনডি প্রকল্পের মতো পানি জমে যায়।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনে, পুলিশ সুপারের বাসভবন, গণপূর্ত নির্বাহী প্রকৌশলীর বাসভবন, আদালত প্রঙ্গনসহ আশপাশের এলাকার বৃষ্টির পানি জমে তলিয়ে গেছে। এ বিষয়ে কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গণপূর্ত বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, এ পানি মাড়িয়েই আমাদেরও অফিস করতে হয়। দুর্গন্ধযুক্ত ও নোংরা পানির উপর দিয়ে সরকারি বহু উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাই চলাচল করে থাকেন। তবুও টনক নড়ে না প্রশাসনের। এদিকে এ পানির প্রভাবে সাধারনের জ্বর, ঠান্ডা, কাশি, চুলকানিসহ ডেঙ্গুর প্রদুর্ভাব বৃদ্ধি পেয়েছে। এ বিষয়ে গণপূর্ত বিভাগের দ্রæত ব্যবস্থা আশা করছেন আইনজীবি ও সরকারি কর্মকর্তাগন।
এ বিষয়ে গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জাকির হোসেন জানায় , নিচু এলাকার কারনে কোর্ট প্রাঙ্গনে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি । অস্থায়ী ভাবে মটরের সাহায্যে পানি সরানো হচ্ছে । কিছু দিনের মধ্যে স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।