কুষ্টিয়া শহর যুবলীগের সাবেক যুগ্ন আহবায়ক নিশানের দ্বারা ব্যাবসায়ীক পার্টনার প্রতারিত 

এ,জে, সুজন কুষ্টিয়া প্রতিনিধি : কুষ্টিয়া শহরের হসপিটাল রোড সংলগ্ন ল্যাব কেয়ার মেডিকেল সার্ভিসেসের ব্যাবসায়িক পার্টনার এম,জেড,ইসলাম জাহিদকে গত এক বছর যাবত প্রতারিত করে আসছে যুবলীগ নেতা মোহাম্মদ আলী নিশান। জোর পূর্বক ব্যাবসা ছাড়তে বাধ্য করেছে নানা প্রকার লাঞ্ছনা এবং প্রতারণার মাধ্যমে। শহর যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক এর পদকে পুজি করে দীর্ঘ ১২-১৩ মাস ধরে হুমকি দিয়ে অত্র প্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং ডিরেক্টর জাহিদকে ঢুকতে দেয় না। এমনকি এই দীর্ঘ সময় প্রতিষ্ঠানের লাভের কোন অংশও জাহিদকে দেওয়া হয়না। আয়ব্যয় এর কোন হিসাবও জাহিদকে জানতে দেয়না নিশান। জাহিদ জানান ল্যাব কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টার প্রতিষ্ঠানটিতে চার জন শেয়ার হোল্ডার রয়েছে- তার মধ্যে চেয়ারম্যান ডা: মো: সজিবুল হক। ম্যানেজিং ডিরেক্টর এম,জেড ইসলাম জাহিদ। ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ আলী নিশান। ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর শাহানা আক্তার চৌধুরী। এই চার জনের সমন্বয়ে ২০১৯ সালের ১০ই আগস্ট তারা ল্যাব কেয়ার মেডিকেল সার্ভিসেস ব্যাবসায়ী প্রতিষ্ঠানটি চালু করেন। শুরুর থেকেই প্রতিষ্ঠানটি লাভজনক ব্যাবসায় প্রসারিত হয়। ৫ মাস পর ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে হসপিটাল সংলগ্ন শাহানা আক্তার চৌধুরীর বাড়িতে প্রতিষ্ঠানটি স্থানান্তর করা হয়। ওই বাড়িতে নতুন করে বিল্ডিং ও ডেকরেশন করতে যেটা খরচ হয় সেটা ডা: সজিবুল হক, জাহিদ, ও নিশান এই তিন জন সমান ভাবে খরচ বহন করেন, এবং এই বাসাটি ১৫ বছরের জন্য লিখিতভাবে এইতিনজনের নামে ভাড়ার চুক্তি করা হয়। বাড়িটির মালিক শাহানা চৌধুরী মোহাম্মদ আলী নিশানের মা। ফেব্রুয়ারিতে হসপিটাল রোডে ব্যাবসা শুরুর থেকেই নিশান জাহিদকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি ও ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে অত্র প্রতিষ্ঠানে ঢুকতে বাধা প্রদান করেন। এবং বলে তোমাকে আমি আর পার্টনার রাখবো না। জাহিদ কারন জানতে চাইলে বলে এমনিতেই রাখবোনা। জাহিদ জানান এভাবেই চলছে এখন পর্যন্ত, আমাকে আমার ব্যাবসার লাভ, অথবা হিসাব কোন কিছুই দেয়না, এই ব্যাপারে ল্যাব কেয়ার মেডিকেল সার্ভিসেস এর চেয়ারম্যান ডা: সজিবুল এর সাথে কথা হলে তিনি জানান জাহিদ আমাদের ব্যাবসায়ীক পার্টনার, সে কাগজ পত্র ও আইনত আমাদের প্রতিষ্ঠানের একজন অংশীদার,এটা অস্বীকার করার কোন সুযোগ নেই। জাহিদ জানান এই ব্যাপারটি আমি মাস খানেক আগে আমাদের প্রান প্রিয় নেতা ও সদর এম,পি হানিফ ভাই এর কাছে ঢাকায় গিয়ে জানালে তিনি ব্যাপারটি স্থানীয় ভাবে সমাধান করার নির্দেশ দেন। ঢাকা থেকে ফিরে আমি প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান ডা: সজিবুল হক এর কাছে হানিফ ভাই নির্দেশের কথা জানালে তিনি বলেন আপনি আসেন এবং পার্টনার হিসাবে আপনি আপনার কাজ কার্ম পরিচালনা করতে থাকেন, এতে আমার কোন বাধা নাই। সে মোতাবেক আমি গত বৃহস্পতিবার ১৮-২-২০২১ইং তারিখে সকালবেলা ল্যাব কেয়ার মেডিকেল সার্ভিসেস এ যাই এবং আমার পুর্বের ন্যায় কর্ম পরিকল্পনা করতে থাকি, তখন নিশান এসে আমাকে অপমান জনক কথা,ও হুমকি দিতে থাকে, এক পর্যায়ে আমাকে লাঞ্চিত করে জোর করে বের করে দেয় ল্যাব কেয়ার থেকে, আমি ল্যাব কেয়ার থেকে বের হয়ে এসে কুষ্টিয়া মডেল থানায় এই ব্যাপারে অভিযোগ দায়ের করি। জাহিদ বলেন আমি দেশের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল আমি আমার ব্যাবসায়ীক অংশীদারিত্ব ফিরে পেতে আইনের সহায়তা গ্রহন করবো। এই ব্যাপারে নিশানের সাথে যোগাযোগ করতে চেষ্টা করলেও তার মোবাইলে সংযোগ সম্ভব হয়নি। অপর দিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিওতে নিশানকে বলতে দেখা যাচ্ছে জাহিদকে উদ্দেশ্য করে তোমাকে পার্টনার রাখবোনা তোমার আর আসার সুযোগ নাই, আমি তোমাকে শেয়ার দিবোনা, যা ইচ্ছা তুমি করো।