করোনা সহ সকল সংক্রামক রোগ হতে শিশুকে বাঁচাতে প্রয়োজন বাড়তি যত্ন।

নাজমিন সুলতানা তুলিঃ বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা করোনা পরিস্থিতির শুরুতে জানায় যে করোণা আক্রান্ত মায়ের দুধ পান করলেও শিশুর ঝুঁকি নেই। গেলো সপ্তাহের গবেষণার ভিত্তিতে দ্বিমত পোষণ করছেন। বর্তমান পরিস্থিতি তে গোটা বিশ্ব ই দ্বিধাগ্রস্ত আসলে কোন টা করা যায়; আর কোন বিষয়টি এড়িয়ে চলা যায়। এরকম দ্রুত সংক্রামিত হওয়ার মতো ভয়ংকর ভাইরাসের মোকাবেলা আমরা করি নি। তবে সকল কিছুই এক সময় চিকিৎসা ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।। যারা নতুন মা হয়েছেন কিংবা প্রথম সন্তান কে একা একা লালন করছেন তারা অনেক সময় ই ঘাবড়ে যান।। তা ঠিক নয়। #বয়স শূন্য থেকে ছয় মাস বয়স পর্যন্ত মায়ের বুকের দুধের বিকল্প কিছুই নেই।। সেক্ষেত্রে মা সংক্রমিত না হতে সচেতন হতে ই হবে। ভিটামিন সি, জিংক, ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। পরিষ্কার এবং জীবাণুমুক্ত পরিবেশে থাকতে হবে। এক থেকে তিন বছরের বাচ্চাদের প্রতিদিন অন্য সময় যেমন খাবার দিতেন তাই দিন এবং তাকেও সকল ভিটামিন যুক্ত খাবার দিন। তার মানসিক বিকাশের জন্য তার সাথে সুন্দর সময় কাটান। আর যে শিশু গুলো স্কুলে যাওয়া শুরু করেছিলো তাদের এতো লম্বা ছুটি তে মানসিক একটা চাপ পরেছে। এই বয়সী বাচ্চাদের সাথে গল্প করুন, ক্রিয়েটিভ কাজ শেখান বা দেখান;যেমন টা আমরা ছোট বেলায় করতাম। মা চাচীদের সাথে থেকে। ফুল গাছ লাগানো, ঘুড়ি বানানো, কাগজ দিয়ে বিভিন্ন সো পিস বানানো সহ ইত্যাদি । নজর রাখুন বাচ্চাটি যেন সারাক্ষণ মোবাইল বা কার্টুনে ঝোঁকে না থাকে।। আমরা নিজের অজান্তেই শিশুদের কে অপসংস্কৃতি র দিকে ঠেলে দিচ্ছি । অভিভাবক হিসেবে তার ভূক্তভোগী কিন্তু আমরা ই হবো। মনে রাখতে হবে মহামারী আমরা অতিক্রম করবোই । কিন্তু আগামী প্রজন্ম আজকের শিশুরা এদের সুস্থ রেখেই এগিয়ে যেতে হবে; সুন্দর পৃথিবীর প্রত্যাশায়।।