করোনা পরিস্থিতি তে পর্যটন শিল্প পেশায় জড়িত কেউই ভালো নেই

নাজমিন সুলতানা তুলি: পর্যটন বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শিল্প ।। এ পেশায় যারা কাজ করে তার জব করে না – সেবা দেয় ।। সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে । । এ পেশায় জড়িত কর্মকর্তা – কর্মচারীরা সর্বোচ্চ পর্যায়ের বিনয়ী এবং ভদ্র ।। তাই বাংলাদেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এই পেশায় জড়িত যারা তারা কখনও ই নিজেদের অভাব -অভিযোগ করে না কিংবা করতে পারে না ।। পর্যটন একটি শিল্প । এর মাধ্যমে ইতিহাস এবং বর্তমান প্রেক্ষাপট বিশ্ব দরবারে তোলে ধরা সম্ভব ।। তাই এ শিল্প কে হাজারো কষ্টে ও শক্ত অবস্থানে ধরে রাখতে ই হবে।পর্যটন এবং হোটেল ম্যানেজমেন্ট; হসপিটালিটি ; পর্যটন ও ভ্রমণ হলো বিশ্বের দ্রুততম ক্রমবর্ধমান শিল্প । করোনা ভাইরাসের প্রভাবে দেশের ভ্রমণ ও পর্যটন খাতে বড় ধরনের ধস নেমে এসেছে। Covid 19 এ পাঁচ তারকা হোটেল থেকে শুরু করে সকল হোটেল ই অতিথি শূন্য। অন্যান্য বার রোজাতে যেভাবে রেষ্টুরেন্ট গুলোতে ও ফুড ব্যবসা চলতো তা ও এবার বন্ধ ই বলা চলে । এই বিশাল শিল্পের সাথে জড়িত কয়েক লক্ষ যুবক প্রায় বেকার ।বিকল্প কোনো কাজ বা উপার্জনের পথ কিংবা সাহায্য সহযোগিতা ও পাচ্ছে না এরা । অনেকে বিনা নোটিশে চাকুরী হারিয়েছে, কেউ বা 50% কিংবা 25% সেলারী পেয়েছেন । হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্টে পড়াশোনা করে এই সেবা খাতে যে যুবকরা ক্যারিয়ার গড়ে তুলেছিলো;আজ প্রত্যেকে একটা অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে ।গার্মেন্টস বা অন্য শিল্পের শ্রমিকরা যেভাবে বেতন এবং অধিকার আদায়ে রাস্তায় বিক্ষোভে নেমে যেতে পারে ; তা এই পেশায় জড়িত বিনয়ী ভদ্র শ্রমিকরা পারবে না। সারা বছর সারা বিশ্ব থেকে আগত পর্যটক দের কাছে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি টিকিয়ে রাখে যারা তাদের দূর্দিনে সরকার সহ সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি ।। সরকারি প্রতিষ্ঠান পর্যটন কর্পোরেশন এবং বিহা(BIHA) সহ কিছু প্রতিষ্ঠান কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করলেও তা বেশ ধীর গতি এবং বিশাল শ্রমিকের তুলনায় নগন্য । ।