করোনা পরিস্থিতি তে আরও একটু সচেতন হই গর্ভবতী নারী ও শিশুদের প্রতি

নাজমিন সুলতানা তুলি: বাংলাদেশ একটা উন্নয়নশীল দেশ। আর আমাদের শ্রমজীবি মানুষের তালিকায় নারী শ্রমিক ও রয়েছে। শ্রমজীবি নারীর বেশিরভাগই গার্মেন্টস এ কাজ করে। যারা স্বাস্থ্য সচেতন নয়। দূর্ভাগ্যবশত অর্থাভাব নাকি অশিক্ষা তা ব্যাখ্যা করার সময় এখন নয়। এখন যা করণীয় মা ও শিশু স্বাস্থ্য নিয়ে সকলে সচেতন হওয়া। একে তো করোণা সংক্রামক রোগ। তার পাশাপাশি এখন মৌসুম টা ও একটু ঠাণ্ডা; হাঁচি কাশি হওয়ার । বাইরে প্রচূর ধূলাবালি। আবার ভোরের দিকে কুয়াশা দেখা যাচ্ছে। আর গর্ভবতী মায়ের উপসর্গ একেক জন মহিলার ক্ষেত্রে একেক রকম।। আমি নিজেও মা।তাই অনূভব করি। যে মা উনি নিজেও সচেতন হোন। আশেপাশে সকলেই হোন।। সুস্থ মা সুস্থ সন্তান জন্ম দিবে। সুস্থ থাকার জন্য পরিচ্ছন্নতা সব সময় জরুরী । গতকাল একটি সংবাদ খুব ব্যথিত করলো। নরসিংদী চরাঞ্চলে এক নারীর মৃতদেহ দীর্ঘ সময় পরে ছিলো। গর্ভবতী ছিলেন শুনে আরও কষ্ট পেলাম। তিনি গার্মেন্টস শ্রমিক; ঠাণ্ডা জ্বর উপসর্গ এবং পারিবারিক অর্থ সংকটে কোথাও সেবা পেলো না। স্থানীয় থানায় ফোন করে জানতে পারলাম তাদের সহযোগিতায় পরে দাফন করা হয়েছে এবং করোনা নয় ঠাণ্ডা জ্বর ও শ্বাসকষ্ট ছিলো। মৃতার নাম সুলতানা বয়স আটাশ। হয় তো নিজ এলাকা বলে বেশি ই ভাবাচ্ছে। কিন্তু সমস্যা এটা খুবই কমন। ঠান্ডা জ্বর মানেই এখন এই পরিস্থিতি তে “করোনা” নয় । বিভিন্ন জায়গায় আবার রোগী হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যাচ্ছে।। এটা সমাধান নয়। প্রয়োজন সচেতনতা। গর্ভবতী মায়েরা হালকা গরম তরল খাবার খান; রং চা বা হালকা লিকার খান আদার রস দিয়ে। আর ছয়মাস থেকে শুরু করে শিশুদের ও কুসুম গরম পানি পান করান অন্যান্য খাবারের পাশাপাশি । বাচ্চাদের কাপড় বদল করুন ঘাম বা ধূলা-বালি মুক্ত রাখুন। গর্ভবতী মায়েরা ও ঠাণ্ডা এবং এলার্জি জনিত বিষয়ে সচেতন থাকুন।। সুস্থ মা সুস্থ সন্তান হলেই সুস্থ আগামী পাবো আমরা।। সকল মায়ের প্রতি ভালোবাসা ও শুভকামনা ।