1. admin@gmail.com : দৈনিক আমার সময় : দৈনিক আমার সময়
  2. admin@dailyamarsomoy.com : admin :
কক্সবাজারে বন্যার অজুহাতে বেড়েছে বিভিন্ন সবজির দাম, মাছের বাজারে নেই স্বস্তি  - দৈনিক আমার সময়

কক্সবাজারে বন্যার অজুহাতে বেড়েছে বিভিন্ন সবজির দাম, মাছের বাজারে নেই স্বস্তি 

দিদারুল আলম সিকদার,কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি
    প্রকাশিত : সোমবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৪
# বাজার নিয়ন্ত্রণে কোন পদক্ষেপ নেই স্থানীয় প্রশাসনের
অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে হইচই শুরু হলেও প্রতিকার মেলেনি সাধারণ মানুষের। এমনকি দেশে শীতের সময়ও সবজির দাম সাধ্যের বাইরে চলে যায়। গ্রীষ্মকালেও একই অবস্থা। বাজারে আগুন বর্ষার বাজারেও।
গত কয়েকদিনের ব্যবধানে বেড়েছে সব ধরনের সবজির দাম। ফলে হতাশ হয়ে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।
হঠাৎ করে কাঁচামরিচ, টমেটো, চালসহ অধিক পণ্যের দাম এখন আকাশচুম্বী। মাছের বাজার আর-ও অস্থিতিশীল। সাধারণ মানুষ বলছেন, বাজার নিয়ন্ত্রণে কোন সফলতা নেই। হোক রাজনৈতিক সরকার কিংবা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। অতিরিক্ত খরচে নাভিশ্বাস উঠলেও মানুষ এই জুলুম মেনে নিতে বাধ্য হয়। মূল্যবৃদ্ধির এ ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে দেশে সংঘবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলার ঐতিহ্য বহুকাল আগেই বিলীন। মূল্যবৃদ্ধি রোধে কখনো কখনো অভিযান-জরিমানা হলেও কাজের কাজ কিছু হয় না।
গেল রবিবার কক্সবাজার শহরের বাজারগুলোতে সবজির দাম কেজিতে ২০/২৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। দাম বৃদ্ধির কারণ দেখানো হচ্ছে বৃষ্টি, বন্যা, যানবাহন খরচ প্রভৃতি। অপরদিকে সরবরাহ সংকটের দোহাই দিয়ে ডজনে পাঁচ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে ডিমের দাম। অজুহাত, অনেক জায়গায় মুরগির খামার পানিতে তলিয়ে গেছে, মরে গেছে মুরগি ইত্যাদি।
বাজারে গিয়ে দেখা যায়, সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে। সাধারণ মানুষ বাধ্য হয়েই বেশি দামে কেনাকাটা করছেন। তবে প্রয়োজনের তুলনায় অর্ধেক বাজার করছেন অনেকে। ক্রেতারা বলছেন, সবজির দাম এত বাড়ে কেন? কারনে-অকারনে দাম বাড়লেও সরকারের নজর চোখে পড়েছে না। সাধারণ মানুষের দুঃখ-কষ্ট কেউই বুঝে না। কাঁচামরিচের দাম ৭০০-৮০০ টাকা, টমেটোর দাম ২৮০, ডিমের দাম ১৭০ টাকা কি করে হয় ?
বিক্রেতাদের ভাষ্য, তাদের বেশি দামে সবজিসহ খাদ্যদ্রব্য কিনতে হচ্ছে। আগের দামের চেয়ে কেজি প্রতি ২০/২৫ টাকায় কিনতে হচ্ছে। দামের কারণ জানতে চাইলে বিক্রেতা বলেন, বৃষ্টির কারণে সরবরাহ কম। এছাড়া বন্যার কারণে কৃষকের ক্ষেতের ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। এজন্য দাম বেড়েছে সবজির। তাছাড়া এখনো স্বস্তি আসেনি চালের বাজারেও। সব চালের দাম সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে বেড়েছে ১০-১৫ টাকা।প্রকারভেদে বস্তাপ্রতি ১৫০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। মিনিকেট চাল ৬৫ থেকে ৬৮-৭০ টাকা, রজনীগন্ধা মিনিকেট ৬৮-৭৯ টাকা ও মোটা চাল ৫০৬০ টাকা এবং আতপ চাল ৬৫ থেকে ৭০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে পেঁপে বিক্রি হচ্ছে পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৫০, তিত করলা ৮০-৯০, বেগুন ১০০-১২০, ঢ্যাঁড়শ ৮০ থেকে ১০০, কাকরোল ৮০ থেকে ৯০, শসা ৪০- ৬০, পটোল ৫০- ৬০, গাজর ১৭০, মুলা ১০০, বরবটি ৭০, লাউ প্রতিটি ১০০-১৩০, মিষ্টিকুমড়া ৫০ টাকা। শাকের দাম আটি ৪০ টাকার কমে নেই।
এদিকে মাছের বাজারে আর-ও অস্থিতিশীল। মিঠাপানির তেলাপিয়া ২৩০-২৫০, রুই ৩২০-৩৫০, মৃগেল ২৫০-২৮০, কাতাল ৪০০-৪৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। সমুদ্র মাছের মধ্যে ইলিশ এক কেজির নিচে ৯০০-১০০০, এক কেজির ওপরে ১২৫০-১৫০০, মাইট্যা ৬০০ -৭০০, তাইল্যা ৬০০-৬৫০, লইট্টা ২০০-২৩০, রুপচাঁদা ১১০০-১৩০০, পোয়া ৪০০, ছোট পোয়া ৩০০-৩৫০, কাচকি ৩০০-৩৫০। অন্যদিকে বয়লার মুরগীর দাম ১৭০-১৮০ দরে বিক্রি হচ্ছে। দেশি মুরগী ৪৫০-৫২০ টাকা, সোনালি ৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৯০০ টাকা এবং ছাগলের মাংস ১০৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন
© All rights reserved © dailyamarsomoy.com