চলমান দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে- আগামী ৭ জানুয়ারী অনুষ্ঠিত নির্বাচনে, কক্সবাজার সদর রামু ঈদগাঁও ০৩ আসনকে তিলোত্তমা আসনে পরিণত করতেই প্রতিশ্রুতিশীল প্রার্থী হিসেবে আবদুল আউয়াল মামুনকে নিয়ে নতুন ভোটারদের মাঝে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ বাড়ছে আগ্রহ । আসন্ন ভোট নিয়ে তারা বুনছেন স্বপ্নের জাল। নতুন ভোটারদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, তারা প্রতীকে বিশ্বাসী নয়, যোগ্য ও আধুনিক চিন্তাশীল এবং মানবিক গুণাবলির প্রার্থীকেই বেছে নিতে চান। যে কিনা পরিকল্পিত ভাবে কক্সবাজার সদর আসনকে সাজাবে এবং উন্নয়নের পাশাপাশি যুব সমাজের ভাগ্যে উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবেন।
তা ছাড়া আগামী ৭ জানুয়ারী দ্বাদশ নির্বাচনকে ঘিরে সদর রামু ঈদগাঁও প্রায় ৫৫ হাজার নতুন ভোটার তাদের আমানতের সঠিক ব্যবহার করতে চান। পাশাপাশি সর্বোচ্চ সংখ্যক নতুন ভোটারই ভোট কেন্দ্রে যাবেন বলে ধারণাও করা হচ্ছে।
কেননা জীবনের প্রথম ভোট কেউ না দিয়ে থাকতে পারবেন না বলে জানান তারা। কক্সবাজার পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন ভোটার মাইদুল ইসলাম জানান, বর্তমানে সব দিকেই তরুণদের জয়জয়কার।
আমরা যেমন তরুণ, তেমনি আমাদের প্রত্যাশা তরুণ প্রার্থীই নির্বাচনে জয়লাভ করুক। তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে তরুণ সমাজকে মাদকের হাত থেকে দূরে সরিয়ে রাখবে।
পাশাপাশি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে আরও বেশি উদ্বুদ্ধ করবে। ৪ নম্বর ওয়ার্ডের তরুণ ভোটার রেজওয়ান খান রেজবির কাছে এমপি প্রার্থী নিয়ে তার চিন্তা ভাবনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এমন প্রার্থীকে ভোট দিতে চাই, যিনি তরুণদের নিয়ে ভাববেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে যিনি উদ্যোগী হবেন, মানুষের প্রতি দায়িত্বশীল হবেন। তা ছাড়া সচেতন নাগরিক ও নতুন ভোটার হিসেবে আমার মতামতের গুরুত্ব আছে বলেও মনে করছি। একই ওয়ার্ডের আরেক নতুন ভোটার সাইফুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে যোগ্য নেতৃত্বের বড়ই অভাব। তাই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি প্রতীক নয়, প্রার্থী দেখেই ভোট দেব। খুরুশকুলের এক নতুন ভোটার ফয়সাল আহমেদ বলেন, তরুণদের প্রতিনিধি হিসেবে মার্জিত চিন্তাশীল ব্যক্তি হিসেবে আবদুল আউয়াল মামুন নামের একজন প্রার্থীর প্রতি তরুণদের আগ্রহ বাড়ছে ওনার বিভিন্ন গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্য শুনে মনে হল ওনি পরিবর্তন আনতে পারবে।
তবে নতুন ভোটারদের মধ্যে যারা সরাসরি ছাত্র তাদের মধ্যে দুই ভাগ আছে। বিভিন্ন সময়ে নির্বাচনে ভোট দিতে না পারাসহ অনেকে নানা ইস্যুতে নৌকার প্রতি বিরূপ।
অন্যদিকে তরুণদের বেশির ভাগই যেহেতু নারী ভোটার তাই তাদের গুরুত্বটাও বেশি ছাড়া, কম না। তবে তারা মুখ খুলতে নারাজ। ছাত্রীদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে যদি ভোটের আগেই জানতে পারে তাহলে ভোটের ঝামেলা হতে পারে। তাই কিছু বলতে চান না।
তবে আওয়ামী লীগের এক নেতা বলেন, তরুণ ভোটারদের বেশিরভাগ নৌকার পক্ষে থাকলেও বর্তমান সংসদ সদস্য বিগত সময়ে তরুণদের খেলাধুলায়সহ বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে না পারার কারণে অনেকে কমলকে ভোট নাও দিতে পারে। এই সংখ্যাও কম নয়।
নতুন ভোটার হওয়া অধিকাংশ তরুণ এবার ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভোটাধিকার প্রয়োগে নানা প্রতিবন্ধকতা ও অভিযোগ-অনুযোগের কারণে প্রবীণ ভোটাররা যেখানে ভোট কেন্দ্রে আসার আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন। সেখানে নবীণ ভোটারদের ভোট প্রদানই প্রার্থীর জয়-পরাজয়ের আসল নিয়ামক বা ফ্যাক্টর হতে পারে।
এছাড়াও সাবেক ছাত্রনেতা ও কল্যাণ পার্টির মহাসচিব আবদুল আউয়াল মামুন প্রার্থী হওয়ার নৌকা ঠেকাতে ভোট বিমুখ বিএনপি জামায়ের বিশাল একটা ভোট ব্যাংক এবার ভোট কেন্দ্রে এসে ভোটার অধিকার প্রয়োগ করবে বলে সচেতন মহল।
এমনকি সুযোগটি কাজে লাগাতে চায় বর্তমান সংসদ সাইমুম সরওয়ার কমল বিরোধী আওয়ামী লীগের বিশাল একটা অংশ। অন্যদিকে নির্বাচনী এলাকায়ও গুঞ্জন রয়েছে সরকারের সাথে আতাত করায় সদর রামু ঈদগাঁও আসনটি আওয়ামী লীগের হাতছাড়া হতে যাচ্ছে শেষ পর্যন্ত । সবমিলিয়ে সুবিধা জনক অবস্থানে রয়েছে কল্যাণ পার্টির মহাসচিব কক্সবাজার সদর রামু ঈদগাঁও আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী আবদুল আউয়াল মামুন।
উক্ত বিষয়ে কল্যাণ পার্টির প্রার্থী আবদুল আউয়াল মামুন বলেন সরকারের সাথে আতাত করার বিষয়টি গুজব আমরা অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন আশা করছি। ভোট সুষ্ঠু হলেই আওয়ামী লীগের প্রার্থীর বিরুদ্ধে তাদের নেতাকর্মীদের যে ক্ষোভ রয়েছে সেটিকে কাজে লাগাতে পারলে আমার বিজয় সুনিশ্চিত হবে।
এছাড়াও তরুণ প্রজন্মের বিশাল ভোট ব্যাংক রয়েছে আমার পক্ষে তারাও এবার পরিবর্তনের পক্ষে দাঁড়িয়ে কল্যাণ পার্টির প্রতীক হাতঘড়ি মার্কায় ভোট দিবে বলে জানান এই প্রার্থী। এমনকি ভোট বিমুখ ভোটারদের একটা অংশ এবার ভোট কেন্দ্রে উপস্থিতি থাকবে শুধু বর্তমান সংসদ সদস্যকে পরাজিত করার জন্য।
Leave a Reply