উৎসব আমেজে ঈদ করতে চেয়ে আমরা যেন আত্নগ্রাসী না হই

নাজমিন সুলতানা তুলিঃ আত্নহত্যা যদি কঠিনতম পাপ হয় । তবে অবশ্যই আত্নগ্রাসী হওয়া ও পাপ ।। আত্নগ্রাসী হলো নিজের বিনাস নিজে ডেকে আনা । কেন আমরা এমন উন্মাদ হয়ে গেলাম – নিজের বিবেক কে প্রশ্ন করুন । মৃত্যু হতেই পারে যেকোনো মুহূর্তে । কিন্তু আমার মৃত্যু যদি আরও দশজনের জন্য বিপদ ডেকে আনে;তবে সে বিষয়ে সচেতন হওয়া উচিত। করোনা পরিস্থিতি তে সারা বিশ্ব স্তব্দ সব থেমে আছে।। উন্নত রাষ্ট্রগুলো সখ করে সব অর্থনৈতিক লেনদেন সহ সকল কিছু বন্ধ করে দিয়েছে?যেখানে তারা প্রতি নিয়ত প্রতিযোগিতায় থাকে কিভাবে নিজেদের অর্থনৈতিক; প্রযুক্তিবিদ্যা সহ সকল কিছু প্রতিদিন উন্নত করা যায় – সে ভাবনায়। আর আমরা সুবিধা ভোগ করতে পারি; আরাম আয়াসে জীবন কাটাতে শিখেছি শুধু ।অথচ নিজের গবেষণা লব্ধ তেমন কিছুই নাই।তবুও বর্বরতা এবং অশিক্ষা রন্ধ্রে রন্ধ্রে আমাদের । কিছুতেই বুঝতে ই রাজি না – জনসংখ্যা ‘র বিশাল একটি অংশ । যার খেসারত দিতে হবে সবার । সারাদেশে হাহাকার করছে -কেউ কিছু পাচ্ছে না; অভাব -কর্মহীন । আবার এরা ই পায়ে হেঁটে; ট্রাকে বাসে করে কখনও বা শহরমুখী আবার গ্রামমুখী । দুঃখজনক হলো – যদি সবাই যার যার ঘরে অবস্থান করতো -উপবাসে;অনাহারে মারা যেতো -পরে মরিয়া হতো তাহলে দোষারোপ করা যেতো । কিন্তু এখন কিছু করার নেই । এই একটা অংশ দান;ত্রাণ উপহার যে ভাষায় ই বলি পেয়েছে – আবার কর্মস্থলেও সুবিধা নিয়েছে।তবুও চাই আর চাই । একটা বার নিজেদের পরিবার;সন্তান দের নিয়ে ভাবছে না। কোনো প্রকার স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই গ্রামেও গিয়ে এমন নিয়মবিহীন জীবন যাপন করছে। হঠাৎ মনে হয় যে করোনা ও দ্বিধায় ভুগছে -কাকে ছেড়ে কাকে ধরবে । আবার গ্রামে করোনা বিলিয়ে ক্লান্ত হলে আবারও শহরে আসবে । সে দৃশ্য দেখা’ র অপেক্ষায় রইলাম আমরা মধ্যবিত্ত রা । আমরা আসলে কোনো তালিকায় ই পরি না ।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে আবেদন আমরা আতঙ্ক গ্রস্থ আমাদের কে আইসোলেশনে নিয়ে নিরাপত্তা দিন -আমরা সংখ্যায় কম।পৃথিবী সুস্থ হলে মুক্ত করে দিবেন- আবার আমরা দেশের জন্য ই খেটে যাবো।।