1. : admin :
ঈদগাঁওতে প্রবীণ জনপ্রিয় শিক্ষকের জানাজায় মুসল্লিদের ঢল - দৈনিক আমার সময়

ঈদগাঁওতে প্রবীণ জনপ্রিয় শিক্ষকের জানাজায় মুসল্লিদের ঢল

মোঃ রেজাউল করিম, ঈদগাঁও (কক্সবাজার)
    প্রকাশিত : শনিবার, ১৩ মে, ২০২৩
কক্সবাজার। ঈদগাঁও আলমাছিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার প্রাক্তন সিনিয়র শিক্ষক হযরত মাওলানা আবুল বশর হোছাইনির জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ জুমাবার সকাল সাড়ে নয়টায় দক্ষিণ মাইজ পাড়া জামে মসজিদের সম্মুখে ধানের বিলে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে ইমামতি করেন মরহুমের নাতি হাফেজ মাওলানা আতিকুল্লাহ। জানাজার পূর্বে সমবেত মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে পরিবারের পক্ষ থেকে শেষ মিনতি জানান মরহুমের কনিষ্ঠ পুত্র প্রকৌশলী মোঃ আনচারুল করিম। জানাযায় সংসদ সদস্য আলহাজ সাইমুম সরওয়ার কমল, ঈদগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সৈয়দ আলম, ঈদগাহ আদর্শ শিক্ষা নিকেতন-কেজি স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কামরুল হক চৌধুরী, বিশিষ্ট রাজনীতিক মাস্টার ছৈয়দুল আলম হেলালী,
বিশিষ্ট ওয়ায়েজীন মাওলানা আব্দুর রহমান আজাদ, অধ্যাপক নাজিম উদ্দিন, অধ্যাপক রেজাউল করিম আরমান, শিক্ষক মোঃ আবু তাহের, শিক্ষক সৈয়দ আলম, ঈদগাঁও বাজার ব্যবসায়ী পরিচালনা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাজিবুল হক চৌধুরী রিকো, ঈদগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি তারেক আজিজ, সাধারণ সম্পাদক রাশেদ উদ্দিন রাসেল, কামরুল হাসান বাবু, প্রেস ক্লাব সভাপতি মোঃ রেজাউল করিম, অনলাইন প্রেস ক্লাব সাধারণ সম্পাদক শেফাইল উদ্দিন, বাপা নেতা এম, শফিউল আলম আজাদ, মরহুমের সাবেক ও বর্তমান সহকর্মী, বিভিন্ন শ্রেণী পেশার ব্যক্তিবর্গ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রাক্তন ছাত্র, আত্মীয়-স্বজন, পাড়া- প্রতিবেশী, দূর দূরান্তের মুসল্লী সহ তার ভক্ত, অনুরক্ত ও শুভাকাঙ্খী মিলে পাঁচ সহস্রাধিক মুসল্লী অংশ নেন। পরে মসজিদ সংলগ্ন কবরস্থানে মরহুমের পিতার কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।
বৃহস্পতিবার বিকেলে তিনি ঈদগাঁও দক্ষিণ মাইজ পাড়ার নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি— রাজিউন)।  মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ১০২ বছর। তিনি দীর্ঘদিন নানা বার্ধক্য জনিত রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী মুর্তজা বেগম, তিন ছেলে, তিন মেয়ে, নাতি-নাতনী সহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী, ভক্ত ও অনুরক্ত রেখে যান।
 দীর্ঘদিন আরব আমিরাতের ডেরা দুবাইতে প্রবাসরত মরহুমের দ্বিতীয় পুত্র মোহাম্মদ আজিজুল করিম টেলিফোনে এ প্রতিবেদককে জানান, একনাগাড়ে দীর্ঘ ৪৬ বছর সহকারি মৌলভী পদে সফলতার সাথে চাকুরী শেষে ১৯৯৭ সালে তিনি মাদ্রাসা থেকে অবসর গ্রহণ করেন। তিনি দীর্ঘ বছর এলাকার মসজিদের খতিব ও পেশ ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বিদগ্ধ ও খ্যাতনামা আলেম ছিলেন। উর্দু এবং ফার্সি ভাষায় তার যথেষ্ট দখল ছিল। প্রায় সময় তিনি মসজিদ, মাদ্রাসা ও মক্তব নিয়ে থাকতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন।
গুণী, জনপ্রিয় ও নিবেদিত প্রাণ এ শিক্ষকের ইন্তেকালে ঈদগাঁও প্রেস ক্লাব, ঈদগাঁও অনলাইন প্রেস ক্লাব, বাপা, সুজন, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা, সালমা সিহার প্রাক্তন ছাত্র পরিষদ সহ বিভিন্ন পেশাজীবী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন
© All rights reserved © dailyamarsomoy.com