আমরণ অনশনে ১৩জন মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট

স্থায়ী নিয়োগের দাবিতে টানা নবম দিনের মতো আমরণ অনশন করছে রাজধানীর শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালের কর্তব্যরত স্বেচ্ছাসেবি মেডিকেল টেকনোলজিস্টরা। ফলে জনগুরত্বপূর্ণ হাসপাতালটিতে বন্ধ রয়েছে করোনা টেস্টের পিসিআর ল্যাব। পাশাপাশি বন্ধ হয়ে গেছে এক্স-রে, সিটি স্ক্যানসহ সব ধরনের ল্যাব সার্ভিস। এমন অবস্থায় বিপাকে পড়েছে হাসপাতালের ভর্তিকৃত রোগীরা। তারা জানান, বৈশ্বিক মহামারি ডেঙ্গু থেকে শুরু করে করোনার পরীক্ষার ক্ষেত্রে শেখ রাসেল জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল অদ্যাবধি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। অত্র প্রতিষ্ঠানের ল্যাবে রাজস্ব খাতের কোনও মেডিক্যাল টেকনালোজিস্ট কর্মরত নেই। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের বিভিন্ন সংসদ সদস্য,স্বনামধন্য ডাক্তার,সচিবসহ সব স্তরের মানুষের করোনা পরীক্ষাসহ অন্যান্য পরীক্ষা প্রতিষ্ঠানটি নির্ভরতার সঙ্গে সম্পন্ন করে যাচ্ছে। বৈশ্বিক মহামারি করোনা নির্ণয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নের প্রতিষ্ঠান শেখ রাসেল জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ১৩ জন স্বেচ্ছাসেবী মেডিক্যাল টেকনালোজিস্ট তাদের জীবন ও পরিবারের মায়া ত্যাগ করে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে সরকারকে পূর্ণ সহযোগিতা করে আসছে। মেডিক্যাল টেকনালোজিস্টদের সরকারি রাজস্ব খাতে নিয়োগের জন্য প্রথম ধাপে ১৪৫ জন ও দ্বিতীয় ধাপে ৫৭ জন মেডিক্যাল টেকনালোজিস্টের অনুমোদন দেয়। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় উক্ত ১৪৫ জন ও ৫৭ জন মেডিক্যাল টেকনলোজিস্টের মধ্যে শেখ রাসেল জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ১৩ জন মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টের নাম তালিকাভুক্ত নেই। বৈশ্বিক মহামারি করোনাযকালে যারা জীবনের সর্বোচ্চ ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন, তারাই সরকারের সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে বঞ্চিত। মিজান,শরিফুন্নবি, মিলন বলেন, আমরা এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করি। প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য আমরা আমরণ অনশন চালিয়ে যাবো।’